মুশি ওই দূরত্ব একটুও কমাতে পারেননি। লাঞ্চ থেকে ফেরার পর প্রথম ওভারেই বিদায় নেন। শাহিন শাহ আফ্রিদির ফুল লেন্থের ডেলিভারি তার অফ স্টাম্প উড়িয়ে নেয়। মুমিনুলের মতো সেঞ্চুরিবঞ্চিত হওয়া মুশফিক ১৭৯ বলে ৭১ রানের ইনিংসটিকে সাজান ৮ চারের মারে।
টেলএন্ডারদের জুটিতে টাইগাররা এরপর আরও ৩৩ রান তুলে ৪১৩ রানে অলআউট হয়েছে। এবাদত হোসেন মোহাম্মদ আব্বাসের পঞ্চম শিকারে পরিণত হওয়ার পর তাসকিন আহমেদ খেলেন ১৮ বলে ২৮ রানের ঝড়ো এক ইনিংস। শেষ ব্যাটার হিসেবে তিনি আউট হন।
মিরপুরে মুশফিক দ্বিতীয় দিন শুরু করেছিলেন লিটন দাসকে সঙ্গী করে। আগের দিন মুশি ৪৮ ও লিটন ৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। দিনের চতুর্থ ওভারে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করে মুশফিক ব্যাট উঁচিয়ে ধরে উদ্যাপন করেন। মোহাম্মদ আব্বাসের ওভারে লিটন দাস বিদায় নেন ব্যক্তিগত ৩৩ রানে। এরপর নামা মেহেদী মিরাজ বেশিক্ষণ ঠিকতে পারেননি। ১২ বলে এক চার ও এক ছয়ে ১০ রান করেই মাঠছাড়া হন। তাইজুল ২৩ বলে খেলেন ১৭ রানের দ্রুত এক ইনিংস।
বাংলাদেশের ইনিংসটি দাঁড়িয়েছে মূলত আগের দিনের নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হকের ১৭০ রানের জুটিতে। ৩১ রানেই বাংলাদেশ ২ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল। মাহমুদুল হাসান জয় ৮ ও সাদমান ইসলাম ১৩ রান করে আউট হন। এরপর তৃতীয় উইকেটে মুমিনুল ও শান্তর প্রতিরোধী জুটি। প্রতিরোধ করে পাকিস্তানের ওপর চাপ ঠেলে দেন তারা। দুজনে মিলে দ্বিতীয় সেশনের পুরোটাই আধিপত্য করেন।
বিরতির ঠিক আগে আগে শান্ত ৭৪ ইনিংসের টেস্ট ক্যারিয়ারে নবম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। যদিও এরপর আর টেকা হয়নি তার। আব্বাসের গুডলেন্থের ডেলিভারিতে ডিফেন্ড করতে গিয়ে এলবিডব্লিউ হয়ে মাঠ ছাড়েন। শান্ত একটু আক্রমণাত্মক হলেও মুমিনুল খেলছিলেন রয়েসয়ে। আগে নামলেও টেস্ট মেজাজী ব্যাটিংয়ে শান্তর পরে ১০২ বলে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। সেঞ্চুরিটাও পেয়ে যেতে পারতেন, কিন্তু ২০০তম বলের মোকাবিলায় নোমান আলীর এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন। মুমিনুল ৯১ রানের ইনিংসে ১২টি চার হাঁকান।
খুলনা গেজেট/এনএম

